মাহমুদ হাসান
দাওরায়ে হাদীস(মাস্টার্স) পড়া অব্ছতায় কতকিনা করেছিলাম।
হাসি, ঠাট্টা
তামাসা, গল্প, অনেক স্বৃতি জরিয়ে আছে দ্বীনিবিদ্যাপিট
জামিয়া লুৎফিয়া
আন্ওয়ারুল উলূম হামিদনগর বরুনা,শ্রীমঙ্গল
মৌলভীবাজার,বাংলাদেশ এর প্রত্যেকটি বালিকনায়। আজ থেকে
সবকিছু স্বৃতি হয়ে পরে থাকবে জীবনের ডাইরিতে.........। তাইত কবি বলেন........।
স্বৃতি উড়ে যায়।
চিরচেনা পথঘাট, সুদৃশ্য ইমারত,
সজ্জিত ড্রইংরুম, ছায়াঘন
বৃক্ষরাজি,
সুমসাম নদীতীর,
বাঁধানো পুকুরঘাট -
সবকিছু
পড়ে থাকে খোলা আকাশের
নীচে,
নামহীন কবরের মতো;
শুধু স্বৃতি উড়ে যায়।
স্বৃতি উড়ে যায়
অলক্ষ্যে, অগোচরে;
কোনো একরাতে গ্রাম
ছেড়ে চলে যাওয়া
যাত্রাদলের সুন্দরী নায়িকার
মতো,
যে আর ফেরেনা;
আহা, জীবনে কিছুই কি ফেরে?
সোনালী-সোনালী দিন,
রূপালী-রূপালী রাত,
আম-জাম-কাঁঠালের ঘ্রাণ,
চৈত্রের নিদাঘ
দুপুরে ঝিমানো বটের ছায়া,
ক্লান্ত ঘুঘুর মোলায়েম ডাক -
কিছুই ফেরেনা;
স্মৃতিরাই ফিরে আসে শুধু -
নিম-শাল-বকুলের, বালিহাঁস-
বকেদের -
নিবিড় স্মৃতিরা।
স্বৃতি উড়ে যায়
দূরদিগন্তে ভেসে থাকা একখন্ড
শুভ্র মেঘের মতো,
দেখতে দেখতে কখন
হারিয়ে যায় আকাশের পারে;
জীবনও উড়ে যায়,
একটু একটু করে
ক্ষয়ে যায় তার নিঃসঙ্গ
প্রদীপের অলৌকিক আলো;
প্রাচীন পৃথিবীতে ধীর
পায়ে রাত্রি নামে,
থেমে যায় জীবনের সব
কোলাহল,
মৃত্যু আসে সবুজ ঘাসের দেশ
দারুচিনি দ্বীপে,
বনলতা মরে যায়,
শুধু হাজার বছর অন্ধকারে
নির্ঘুম জেগে থাকে নক্ষত্র-চোখ
জীবনানন্দ,
একা।
