হে রোহিঙ্গা আয়লান (ত্বো'হা) ! তুমি কি সিরিয়ার আয়লান হতে পারবে?


Oh ROHINGYA AYLAN! Would you be the Syrian Aylan? No,No..You won't be... Bcz, you aren't a human being! You are merely a Rohingya! You don't deserve Humanity. Is Humanity for you?
হে রোহিঙ্গা আয়লান (ত্বো'হা) ! তুমি কি সিরিয়ার আয়লান হতে পারবে? না...না পারবেনা, কারণ তুমি তো মানব শিশু নও। তুমি তো রোহিঙ্গা! তোমার জন্য কিসের মানবতা ? 
 একটি নিষ্পাপ শিশু, ফিরিস্তার মত। যার নাকি সাদা কালো ভাল করে বুঝার সময় হয় নাই। মায়ের কোলে থাকে। তাকেও শিকার হতে হল বর্বরতার। বলছি মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নামকনরপশু হাতে শহীদ মায়ের কোলের দুগ্ধপায়ী ১০ মাসের ছোট্ট শিশু ত্বো'হার কথা। যে ছবিটা দেখার পর আমার অন্তর জর্জরিত হয়ে যাচ্ছে, রক্তকরণ হচ্ছে! বার বার প্রশ্ন জাগছে মানবতা আজ কোথায় ? কোথায় বিবেক ? কোথায় শান্তিরক্ষা বাহানী ? কোথায় জাতি সংঘ ? কি ছিল অপরাধ সেই ১০ মাসের ছোট্ট শিশু ত্বো'হার ! একটাই অপরাধ সে রোহিঙ্গা মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন
করেছে।


কি জঘন্যতম অধ্যায়! যুবকদের হত্যা করে নারীদের ধর্ষণ করে বৌদ্ধ সন্ত্রাসীরাদের পিপাসা নিবারণ হচ্ছে না। বৃদ্ধ, নারী, পুরুষ এমনকি দুগ্ধপায়ী শিশুদেরকেও নড়পশুর মত হত্যা করছে।

কিন্তু বিশ্ববিবেক আজ নিরব, যারা ইস্যু পর ইস্যু খোকে শান্তি রক্ষার মিছিল দেয়, র‌্যালি করে_ তারা আজ ঘুমন্ত! কারণ নির্যাতন চলছে মুসলিমদের উপর। পার্শবর্তী রাষ্ট্রগুলো দেখেও দেখছেনা।

এগুলো বলা/লেখার মত ভাষা নেই। আর কত রোহিঙ্গা ভক্ষণ করলে তাদের ক্ষুদা মিটবে, আর কর যুবককে জ্বালিয়ে মারবে, আর কত মা বোন ধর্ষণ করবে (!)? আর কত আয়লান ,আর কত তোহাকে জীবন দিতে হবে ? এরাতো আমাদের ভাই, সয়ং আল্লাহ তায়ালার ইরশাদ…
ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻨُﻮﻥَ ﺇِﺧْﻮَﺓٌ  
মুমিনগণ তো একে অপরের ভাই । (সূরা হুজুরাত -৪৯)
মুসলিম হিসেবে এরা আমরা সব মুসলমান একটি দেহ, একটি বদি, যা রাসূল স.এর হাদিস দ্বারা ইস্পষ্ট ﺍﻟﻤﺴﻠﻤﻮﻥ ﻛﺮﺟﻞ ﻭﺍﺣﺪ، ﺇﻥ ﺍﺷﺘﻜﺘﻰ ﻋﻴﻨﻪ ﺍﺷﺘﻜﻰ ﻛﻠﻪ ﻭﺇﻥ ﺍﺷﺘﻜﻰ ﺭﺃﺳﻪ ﺍﺷﺘﻜﻰ ﻛﻠﻪ  
অর্থাৎ মুসলিমগণ সকলে মিলে যেন একটি মানুষ- যার চোখে ব্যাথা হলে গোটা দেহ অস্থির হয়, মাথায় ব্যাথা হলেও গোটা দেহ অস্থির হয়। (নুমান ইবনে বাশীর রা.-এর সূত্রে সহীহ মুসলিম, হাদীস : ২৫৮৬)
এজন্য এদের পাশে আমাদের দাড়াতে হবে ,সামর্ত অনুযায়ী এগিয়ে আসতে হবে।


নয়া দিগন্তের প্রতিবেদন::
মিয়ানমার অংশে নাফ নদীর তীরে কাদায় উল্টে আছে শিশুর লাশ। তীরে এ রকম একাধিক শিশুর লাশ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার সকালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডুর উত্তরাঞ্চলে এসব লাশ উদ্ধার করা হয়।

ছবিগুলো প্রকাশ করেছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার নিয়ে কাজ করা সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘রোহিঙ্গা ভিশন’। ‘আর ভিশন টিভি ডট কম’ নামে ওই সংস্থা ২১ এপ্রিল ২০১২ থেকে কাজ শুরু করে। আর ভিশনে বলা হয়, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতন থেকে বাঁচতে নৌকায় নদী-সাগর পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছেন রোহিঙ্গারা। এসব নৌকায় গুলি করছে মিয়ানমারের সীমান্তরী বাহিনী বার্মিজ বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি)। গত রাত দেড়টায় মিয়ানমারের ওশেকেয়া নদীতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর একাধিক নৌকায় গুলিবর্ষণ করে বিজিপি। এসব নৌকাযোগে বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছিলেন রোহিঙ্গারা। ওই ঘটনায় ১৫ জন নিহত হন। গুলিবর্ষণে ডুবে যায় একাধিক নৌকা। বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। ওই সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়, তীরে উদ্ধার হওয়া লাশগুলো ডুুবে যাওয়া নৌকার। এসব নৌকায় করে প্রাণ বাঁচাতে রোহিঙ্গারা রাতে বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছিলেন। মংডু এলাকার এক বৃদ্ধ বলেন, ‘এসব শিশুর কী দোষ? কোন দোষে এসব নিরীহ মানুষকে এভাবে মেরে ফেলা হচ্ছে? এসব শিশু তো এখনো জীবনই দেখল না!’ মংডুর উত্তরাঞ্চলের রেইমমাবিল গ্রামের মানুষ বেশি নির্যাতিত হচ্ছে বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়। বলা হয়, দেশটির সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা গ্রামে হত্যা, নির্যাতন, আটক ও নারীদের ধর্ষণ করছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক সংস্থার পাঠানো সাহায্যও ওই এলাকায় ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। আর এতে তিলে তিলে মারা যাচ্ছে রোহিঙ্গা শিশুসহ দুর্বল মানুষ। অয়েব লিন্ক:http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/176611

No comments:

Post a Comment